সত্যি কি দেশ উন্নয়নে প্রধান অন্তরায় ইউনুস ?
একমাত্র কারণ ইউনূস ! সত্যি কি দেশ উন্নয়নে প্রধান অন্তরায় ইউনুস ?
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘এ দেশে এত ভালো কাজ হচ্ছে, এটা পৃথিবীর কোথাও প্রাধান্য পায় না। এর একমাত্র কারণ হচ্ছেন ইউনূস।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মূল্যায়ন সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। পরিকল্পনা কমিশনে এ সভা হয়।
আরেক নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেনের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তুলনা করে মুহিত বলেন, ‘উনি বলেন গ্রামীণ ব্যাংক ওনার প্রতিষ্ঠান। এটা কোনোমতেই তিনি ছাড়বেন না। এটিই হলো সমস্যা।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘হি (ইউনূস) হ্যাজ অ্যা ওয়ান্ডারফুল পাবলিসিটি মেশিনারি। উনি যেসব কথা বলেন, তাঁর মধ্যে পুরোপুরি সত্যতা নেই।’ বিনিয়োগ প্রসঙ্গে মুহিত বলেন, ‘দেশে এত বিনিয়োগ বাড়েনি। সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিনিয়োগের অভাবে মরে যাচ্ছি। তবে সেখানে বিরাট পরিবর্তন এসেছে “ইকোনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে, যদিও গত চার বছর “ইকোনমিস্ট’-এর উদ্দেশ্যই ছিল এ সরকারকে হেয় করা।’
৩ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘দি ইকোনমিস্ট’-এর প্রকাশিতব্য সংস্করণের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অকার্যকর রাজনীতি সত্ত্বেও বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে হয়েছে ‘চমকপ্রদ অগ্রগতি’।
প্রতিবেদনের শেষের দিকে বলা হয়েছে, এত কিছুর পরও বাংলাদেশের বেশ কিছু ‘গুরুতর সমস্যা’ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অপুষ্টি, শিক্ষার গুণগত দুর্বলতা ও স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার উচ্চহার, দ্রুত নগরায়ণের ফলে শহরগুলোর নানা সমস্যা প্রভৃতি। ড. ইউনূসের রাজনৈতিক দল গঠনের সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে তাঁকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়াকে প্রতিবেদনে ‘সোনার ডিম দেওয়া হাঁস হত্যা’র সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। তবে এতে এ-ও বলা হয়েছে, সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশের অর্জন ভালো।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মূল্যায়ন সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। পরিকল্পনা কমিশনে এ সভা হয়।
আরেক নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেনের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তুলনা করে মুহিত বলেন, ‘উনি বলেন গ্রামীণ ব্যাংক ওনার প্রতিষ্ঠান। এটা কোনোমতেই তিনি ছাড়বেন না। এটিই হলো সমস্যা।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘হি (ইউনূস) হ্যাজ অ্যা ওয়ান্ডারফুল পাবলিসিটি মেশিনারি। উনি যেসব কথা বলেন, তাঁর মধ্যে পুরোপুরি সত্যতা নেই।’ বিনিয়োগ প্রসঙ্গে মুহিত বলেন, ‘দেশে এত বিনিয়োগ বাড়েনি। সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিনিয়োগের অভাবে মরে যাচ্ছি। তবে সেখানে বিরাট পরিবর্তন এসেছে “ইকোনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে, যদিও গত চার বছর “ইকোনমিস্ট’-এর উদ্দেশ্যই ছিল এ সরকারকে হেয় করা।’
৩ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘দি ইকোনমিস্ট’-এর প্রকাশিতব্য সংস্করণের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অকার্যকর রাজনীতি সত্ত্বেও বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে হয়েছে ‘চমকপ্রদ অগ্রগতি’।
প্রতিবেদনের শেষের দিকে বলা হয়েছে, এত কিছুর পরও বাংলাদেশের বেশ কিছু ‘গুরুতর সমস্যা’ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অপুষ্টি, শিক্ষার গুণগত দুর্বলতা ও স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার উচ্চহার, দ্রুত নগরায়ণের ফলে শহরগুলোর নানা সমস্যা প্রভৃতি। ড. ইউনূসের রাজনৈতিক দল গঠনের সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে তাঁকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়াকে প্রতিবেদনে ‘সোনার ডিম দেওয়া হাঁস হত্যা’র সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। তবে এতে এ-ও বলা হয়েছে, সার্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশের অর্জন ভালো।
Twitter
0 Response to "সত্যি কি দেশ উন্নয়নে প্রধান অন্তরায় ইউনুস ?"
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন